আহসান পাবলিকেশন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আহসান পাবলিকেশন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
নারী ও পুরুষ পরস্পরের বন্ধু ও অভিভাবক nari o purush porosporer bondhu

নারী ও পুরুষ পরস্পরের বন্ধু ও অভিভাবক nari o purush porosporer bondhu

nari o purush porosporer bondhu
নারী ও পুরুষ পরস্পরের বন্ধু ও অভিভাবক মাসুদা সুলতানা রুমী
প্রকাশনীঃ আহসান পাবলিকেশন
বইয়ের সাইজঃ ১-এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৪২
বইয়ের ফরম্যাট পিডিএফ ই-বুক
বিভাগঃ পারিবারিক জীবন
কৃতজ্ঞতায়ঃ বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

পুরুষের প্রতি নারীর আনুগত্য

হাদীসে উল্লেখিত হয়েছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "সেই স্ত্রীই সর্বোত্তম, যাকে দেখলে তোমার মন আনন্দে ভরে যায়। তুমি তাকে কোনো আদেশ করলে সে তোমার আনুগত্য করে। আর তুমি ঘরে না থাকলে সে তোমার অনুপস্থিতিতে তোমার ধন সম্পদের ও তার নিজের হেফাজত করে।"

এ হাদীসটি এই আয়াতের চমৎকার ব্যাখ্যা পেশ করে। কিন্তু একথা ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে যে, স্ত্রীর জন্য নিজের কাওয়ামের আনুগত্যের চাইতে বেশী গুরুত্বপূর্ণ এবং অগ্রগণ্য হচ্ছে আল্লাহর আনুগত্য। কাজেই কোনো পুরুষ যদি তার স্ত্রীকে আল্লাহর নাফরমানি করার হুকুম দেয় অথবা আল্লাহর অর্পিত কোনো ফরজ থেকে তাকে বিরত রাখার প্রচেষ্টা চালায় তাহলে এ ক্ষেত্রে তার আনুগত্য করতে অস্বীকার করা স্ত্রীর জন্য ফরজ হয়ে দাঁড়ায়। এ অবস্থায় যদি স্ত্রী তার 'যওজি'র (হাসব্যান্ডের) আনুগত্য করে তাহলে সে গোনাহগার হবে। বিপরীত পক্ষে পুরুষ যদি স্ত্রীকে নফল নামাজ বা নাফল রোজা রাখতে নিষেধ করে তাহলে হাসব্যান্ডের কথা মেনে চলা তার জন্য অপরিহার্য হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় নফল ইবাদত করলে তা আল্লাহর কাছে গৃহীত হবে না। অবশ্য সেই পুরুষকে খাঁটি মুমিন হতে হবে এবং ইবাদতের গুরুত্ব উপলব্ধি করার মতো বিবেক থাকতে হবে।

চতুর্থ পয়েন্টে অবাধ্য নারীর সাথে আচরণের সীমা কতদূর তার আলোচনা করা হয়েছে। তিনটি কাজ একই সংগে করার কথা এখানে বলা হয়েনি। বরং এখানে বক্তব্য হচ্ছে, অবাধ্যতা দেখা দিলে এই তিনটি ব্যবস্থা অবলম্বন করার অনুমতি রয়েছে। এখন এগুলোর বাস্তবায়নের প্রশ্ন। এ ক্ষেত্রে অবশ্যি দোষ ও শাস্তির মধ্যে আনুপাতিক সম্পর্ক থাকতে হবে। যেখানে হালকা ব্যবস্থায় কাজ হয়ে যায়, সেখালে কঠোর অবস্থা অবলম্বন না করা উচিৎ। নবী (সা.) যেখানেই স্ত্রীদের মারার অনুমতি দিয়েছেন। সেখানেই তা দিয়েছেন একান্ত অনিচ্ছাসহকারে এবং লাচার হয়েই। আবার তারপরও একে অপছন্দই করেছেন। তবু কোনো কোনো স্ত্রী এমন হয়ে থাকে যে তাদেরকে মারধর না করলে সোজা থাকে না। এ অবস্থায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নির্দেশ হচ্ছে, তাদের মুখে বা চেহারায় মেরো না-। নির্দয়ভাবে মেরো না এবং এমন জিনিস দিয়ে মেরো না যা শরীরে দাগ রেখে যায়।" নারী ও পুরুষ পরস্পরের বন্ধু ও অভিভাবক

(সাধারণভাবে স্ত্রীদের 'গায়ে হাত তোলা' স্বভাবকে রাসূল (সা.) ও করতেন। তিনি বলতেন "তোমাদের মধ্যে যারা স্ত্রী মারা স্বভাবের লোক ভালো মানুষ নও।" সত্যি আমাদের সমাজে কিছু মহিলা এমন আছে যাদের। শান্তি না দিলে পারিবারিক শাস্তিই তারা নষ্ট করে ফেলে। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে তারা এত দুর্ব্যবহার করে যে শাস্তি তাদের প্রাপ্য।

আরও বই ডাউনলোড করুন
কোরআন হাদীস সংকলনের ইতিহাস - একেএম এনামুল হক ডাউনলোড
মুসলমানের নিকট আল কুরআনের দাবী ডাউনলোড
আল কুরআনে অর্থনীতি pdf download ডাউনলোড

আখেরাতের সফলতাই আসল সফলতা
إِنَّ اللَّهَ اشْتَرَى مِنَ الْمُؤْمِنِينَ أَنْفُسَهُمْ وَأَمْوَالَهُمْ بِأَنَّ لَهُمُ الْجَنَّةَ ، يُقَاتِلُونَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَقْتُلُونَ وَيُقْتَلُونَ لَن وَعْدًا عَلَيْهِ حَقًّا فِي التَّوْرَةِ وَالْإِنْجِيلِ وَالْقُرْآنِ ، وَمَنْ أَوْفَى بِعَهْدِهِ مِنَ اللَّهِ فَاسْتَبْشِرُوا بِبَيْعِكُمُ الَّذِي بَايَعْتُمْ بِهِ ، وَذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ.
"প্রকৃত ব্যাপার এই যে আল্লাহ মু'মিনের জান ও মাল জান্নাতের বিনিময়ে কিনে নিয়েছেন। তারা আল্লাহর পথে লড়াই করে মরে ও মারে। তাদের প্রতি তাওরাত ইনজিল ও কুরআনে আল্লাহর জিম্মায় একটি পাকাপোক্ত ওয়াদা বিশেষ। আর আল্লাহর চাইতে বেশী নিজের ওয়াদা পূরণকারী আর কে আছে? কাজেই তোমরা আল্লাহর সাথে যে কেনাবেচা করেছ সে জন্য আনন্দ করো। এটিই সবচেয়ে বড় সাফল্য।" (সূরা তাওবা: ১১১)
أَلَا إِنْ أَوْلِيَاءَ اللَّهِ لَأَخَوْفٌ عَلَيْهِمْ وَلَاهُمْ يَحْزَنُونَ الَّذِينَ آمَنُوا وكَانُوا يَتَّقُونَ لَهُمُ الْبُشْرَى فِي الْحَيَوةِ الدُّنْيَا وَفِي الْآخِرَةِ ، لَا تَبْدِيلَ لِكَلِمَتِ اللَّهِ ، ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ.
"শোনো যারা আল্লাহর বন্ধু, ঈমান এনেছে এবং তাকওয়ার নীতি অবলম্বন, তাদের কোনো ভয় ও মর্ম যাতনার অবকাশ নেই। দুনিয়া ও আখেরাতে উভয় জীবনে তাদের জন্য শুধু সুসংবাদই রয়েছে। আল্লাহর কথায় পরিবর্তন নেই। এটিই মহাসাফল্য।" (সূরা ইউনুস: ৬২-৬৪)

নারী ও পুরুষ পরস্পরের বন্ধু ও অভিভাবক

আল্লা আবার বলেছেন,
وَعَدَ اللَّهُ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُؤْمِنَتِ جَنَّتٍ تَجْرِي مِنْ تَحْتِهَا الْأَنْهَرُ خُلِدِينَ فِيهَا وَمَسْكِنَ طَيِّبَةٌ فِي جَنَّتِ عَدْنٍ ، وَرِضْوَانٌ مِّنَ اللَّهِ أَكْبَرُ ، ذَلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْعَظِيمُ.
"মু'মিন পুরুষ ও নারীকে আল্লাহ প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, তাদেরকে তিনি এমন বাগান দান করবেন যার নিম্নদেশে ঝর্ণাধারা প্রবাহমান হবে এবং তারা তার মধ্যে চিরকাল বাস করবে। এসব চির সবুজ বাগানে তাদের জন্য থাকবে বাসগৃহ এরং সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে তারা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করবে। এটিই সবচেয়ে সাফল্য।" (সূরা তওবা: ৭২)

pdf book download জাতি গঠনে আদর্শ মা jati gothone adorsho ma

pdf book download জাতি গঠনে আদর্শ মা jati gothone adorsho ma

jati gothone adorsho ma
জাতি গঠনে আদর্শ মা জাবেদ মুহাম্মাদ
প্রকাশনীঃ আহসান পাবলিকেশন
বইয়ের সাইজঃ ৩-এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ২০৬
বইয়ের ফরম্যাট পিডিএফ ই-বুক
বিভাগঃ পারিবারিক জীবন
কৃতজ্ঞতায়ঃ বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

কিভাবে মনে সুন্দরের ভুবন বা অনুভূতি সৃষ্টি হবে? —আদর্শিক জ্ঞান, বিবেক-বিবেচনা, আদব-কায়দা, মন-মানসিকতা, মনন, মনীষা, মহত্ত্ব, মনোযোগ, মহব্বত, অনুভূতি, ঔদার্য, আশা, অভিলাষ, অভিপ্রায়, অভিরুচি, অমায়িকতা, অন্তরঙ্গতা, প্রসন্নতা, প্রাণাবেগ, প্রাণবন্ততা, সৌজন্য, সুরুচি, সুধারণা, সুবাসনা, শিষ্টতা, শালীনতা, সদিচ্ছা, সংযম, সহানুভূতি, শ্রদ্ধাবোধ, সহজতা, সজীবতা, সরলতা, সচেতনতা, সমঝোতা, সহমর্মিতা, সত্যবাদিতা, সংবেদনশীলতা, সহৃদয়তা, হৃদ্যতা, স্বতঃস্ফূর্ততা, সততা, স্বকীয়তা, উদারতা, বন্ধু সুলভতা, কৃতজ্ঞতা, সভ্যতা, শ্লীলতাবোধ, দয়া-মায়া, মানবিকতা, বদান্যতা, মহানুভবতা, সহনশীলতা, স্নেহপরায়ণতা ও কল্যাণকামিতা ইত্যাদি। এভাবে মনে যে যত বেশি ভুবন সৃষ্টি করতে পারবেন, যার দৃষ্টিভঙ্গী যতটা স্বচ্ছ ও আদর্শিক ধ্যান-ধারণায় গড়ে তুলতে পারবেন, আপনি উপহার দিতে পারবেন সুন্দর সুন্দর কল্যাণকামী কথা। যার সুফল, সুবাতাস ভোগ করবে গোটা সমাজের লোকজন। ফেলবে স্বস্তির নিশ্বাস। জ্ঞাপন করবে শুকরিয়া, মাথা নত করবে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালার কাছে, তবেই গড়ে উঠবে সুখী কল্যাণকামী ও সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র।

মা-আদর্শ মা। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব। আপনার সম্মান-মর্যাদা যেমন অনেক বেশি তেমন আপনার দায়িত্ব ও কর্তব্যও অনেক বেশি। আপনার সন্তানদেরকে এমন কথা বলা শিক্ষা দিয়ে আপনাকেই গড়তে হবে। সমাধান খুঁজে নিতে হবে আপনাকেও কুরআনের বাণী থেকেই। কী নিয়ে এত অস্থিরতা! এত টেনশন! এত ঝামেলা পোহাচ্ছেন? অসুস্থ হয়ে পড়ছেন? বুকের ব্যথা বাড়ছে! শরীর সরু হয়ে যাচ্ছে! মাথা ঘুরছে। ব্যস্ততা বাড়ছে! কিসের মায়ায়? নামাজ পড়তে পারছেন না, কুরআন অধ্যয়ন করতে পারছেন না, সেদিনের কথা একটু ভাবুন! যেদিন আপনাকে আপনার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। কী দরকার অসুন্দর, অসত্য ও মন্দ কথা বলে নিজের মান-মর্যাদা, সম্মানকে প্রশ্নাতীত করার বরং আমরা আপনাকে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতায়ালা এবং রাসূল (সা.) যে আসনে আসীন করার কথা ঘোষণা দিয়েছেন সেখানেই দেখতে চাই। জগতের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক আপনি, শুধু নিজ পরিবার নয় জগত সংসারের জন্যও আপনাকে জিজ্ঞাসা করা হবে। আপনার মর্যাদা যেমন বেশি তেমনি দায়িত্বও বেশি। আর এ দায়িত্ব পালন শুরু করতে হয় সুন্দর কথা, সুন্দর নির্দেশনা, উপদেশ-আদেশ ইত্যাদির অকিদ প্রদানের মাধ্যমে।

আপনি, তুমি, তুই

বড়দের সাথে কথোপকথনে শ্রদ্ধার নির্দশন স্বরূপ আপনি শব্দটি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এটি মার্জিত, ভদ্র, নম্র ও বিনয়ীভাব প্রকাশ করে থাকে। তুমি শব্দটি সমবয়সী থেকে শুরু করে ছোট শিশুদের সাথে কথোপকথনে ব্যবহার করা যায়, এতেও ভদ্র ভাব প্রকাশিত হতে পারে। কিন্তু তুই শব্দটি তুচ্ছ তাচ্ছিল্য অর্থে ব্যবহার করা হয়। অসম্মান অর্থে ব্যবহার করা হয়। এটি কেউ শুনতে চায় না। এমনকি আপনার ৩/৪/৫ বছর বয়সী ছেলে মেয়েদের সাথে কেউ যদি হঠাৎ করে তুই তুই বলে কথা বলে, আপনি গভীরভাবে ওদের মুখমণ্ডলের দিকে তাকালে দেখবেন কালো ছাপ পড়ে গেছে। সে আত্মসম্মানবোধ ঠিকভাবে না বুঝলেও এটি বুঝে যে তাদের সাথে সুন্দর করে কথা বলা হচ্ছে না, এমন অনেক শুনা যায়, স্যার শিক্ষার্থীদের সাথে তুই শব্দ যোগে কথা বলায় শিক্ষার্থীরা অভিযোগ প্রকাশ করে বলেছে এই স্যারের কাছে পড়ব না। কারণ, স্যার কথা বলে কেমন যেন বা গাইয়া..... গাইয়া ইত্যাদি। কী অসম্মানজনিত কথা! আপনি ২০/২১ বছর পড়ালেখা করে শিক্ষক হলেন আর ছোট স্কুলগামী শিক্ষার্থীরা আপনার ভাষা প্রকাশের ভঙ্গী বা স্টাইল নিয়ে অভিযোগ করছে বা অপছন্দ করছে বা বলছে এই স্যার ভাল না, সুন্দর করে কথা বলে না, আদর করে কথা বলে না ইত্যাদি। বলুন! এ অবস্থায় আপনার মর্যাদা কোথায় গিয়ে থামল? জাতি গঠনে আদর্শ মা

আরও বই ডাউনলোড করুন
Pdf Book নেক আমল বিধ্বংসী বদ আমল সমূহ - মাসুদা সুলতানা রুমী ডাউনলোড
কুরআন হাদিসের আলোকে শহীদ কারা pdf ডাউনলোড
আল কুরআনের আলোকে শিরক ও তওহীদ ডাউনলোড

সুন্দর করে কথা বলা হতে পারে আপনার নিজেকে গ্রহণযোগ্য বা নিজের কথাকে গ্রহণযোগ্য করে তোলার একটি মাধ্যম। পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মনীষীরা সবাই সুন্দর করে কথা বলতেন। তারা সুভাষী ছিলেন। আজ পর্যন্ত পৃথিবীতে যত আদর্শই প্রচারিত

সত্য ও সুন্দর কথা বলা

হয়েছে, তা হয়েছে সুন্দর কথা দিয়ে। কারণ প্রতিটি ভাল কাজই মানুষের মন জয় করে করতে হয়। আর মানুষের মন জয় করার একটি মাধ্যম বা উপায় হলো সত্য ও সুন্দর কথা বলা। সুন্দর কথা শ্রোতার মনে আনন্দের প্লাবন সৃষ্টি করে একদিকে যেমন তার ভেতরের দুঃখ-কষ্ট ও হতাশা গুলোকে ভাসিয়ে নিয়ে যায়, অন্যদিকে তার মধ্যে জন্ম দেয় শক্তিশালী ইতিবাচক এক আবেগ। ফলে পারস্পরিক সুসম্পর্ক গঠনের পাশাপাশি তার প্রতিটি কাজ হয়ে উঠে আনন্দময় স্বতঃস্ফূর্ত স্বাভাবিক প্রাণচাঞ্চল্যে ভরপুর। আর মন্দ কথা ইতি টেনে আনতে পারে অনেক অতীত ভালবাসা, আদর-সোহাগ ও ভাল লাগার। কাজেই সুভাষী হওয়ার প্রতি আমাদের বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।

ঘুষ ও দুর্নীতি

অন্যায় ও অবৈধভাবে কারো অর্থ-সম্পদ ভক্ষণ করার অন্যতম পন্থা হল ঘুষ। নিয়মবহির্ভূত কোন কাজ করে দেয়ার জন্য বা কোন কার্য সিদ্ধির জন্য কাউকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে যে অর্থ দেয়া হয় তাই ঘুষ। এ সম্পর্কে আল্লাহর রাসূল (সা.) বলেছেন:
لَعَنَ اللهُ الرَّشِي وَالْمُرْتَشِى .
"ঘুষদাতা ও গ্রহীতা উভয়ের প্রতি আল্লাহ তায়ালার লা'নত।"

জাতির ভাগ্যাকাশে দুর্ভাগ্যের ঘনঘটা, চারিধারে হতাশা আর ঘৃণা, এদেশের মানুষের রন্ধ্রে-রন্ধ্রে বখশিশ বা খুশী করা (নতুন নামে) ঘুষ ও দুর্নীতি আজ সকল উন্নয়নের চাকাকে স্তিমিত করে দিচ্ছে। জন্ম, বিয়ে, মৃত্যু এ তিনটি কাজ বা অবস্থা আল্লাহর হুকুম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এদেশে একজন মানব শিশুর জন্ম নিবন্ধন করার সময় নিবন্ধনকারী 'শোকর আলহামদুলিল্লাহ বলে এমন খুশীর সংবাদে আমাদেরকে কিছু বখশিশ দেবেন না, মিষ্টি খাওয়াবেন না-একথা বলে থাকেন। ফলে সর্বস্তরের মানুষ জন্ম নিবন্ধন করতে যেতে চায় না। বিয়ে নিবন্ধন রাষ্ট্রের বাধ্যতামূলক আইন যা করতে গেলেও বিয়ের আসরে কাজীর যাওয়া-আসা, খাওয়া-দাওয়াসহ তাদের ভাষায় সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি দেওয়ার পরও বখশিশ খুঁজে নেওয়ার প্রবণতা সত্যিই লজ্জাকর বিষয়। আর লজ্জা বিষয়টি ঢেকে রাখা ঈমানের অঙ্গ।

এর সাথে মুসলমানিত্বের সম্পর্ক; এভাবে চেয়ে নেওয়াটা ঘুষের সাথেই তুল্য। প্রত্যেক জীবকেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমাদের দেশে মৃত্যু নিবন্ধন এবং বিশেষ প্রয়োজনে সার্টিফিকেট গ্রহণের ক্ষেত্রেও টাকা লওয়া অর্থাৎ আল্লাহ নিয়ন্ত্রিত এ তিনটি ক্ষেত্রে রাষ্ট্র কর্তৃক নির্ধারিত টাকার অতিরিক্ত টাকা গ্রহণ প্রকারান্তরে ঘুষ ও দুর্নীতিরই নামান্তর। (কেহ কেহ হয়তোবা এগুলোতে অতিরিক্ত টাকা নেন না তাদের কথা ভিন্ন) ঘুষ ছাড়া এদেশে কোন কাজই চলে না। অথচ এমন ঘুষ সম্পর্কে হুঁশিয়ার করে দিয়ে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন কুরআনে ইরশাদ করেন:
وَلَا تَأْكُلُوا مُوَالَكُمُ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ وَتَدُلُّوبِهَا إِلَى الْحَكَامِ لِتَا كُلُوا فَرِيقًا مِنْ أَمْوَالَ النَّاسِ بِالْإِثْمِ وَانْتُمْ تَعْلَمُونَ -
"তোমরা অন্যায়ভাবে একে অপরের সম্পদ গ্রাস করো না এবং জনগণের সম্পদের কিয়দাংশ জেনে-শুনে পাপ পন্থায় আত্মসাৎ করার উদ্দেশ্যে শাসন কর্তৃপক্ষের হাতেও তুলে দিও না।" (সূরা বাকারা: ১৮৮)

 অধ্যাপক মুজিবুর রহমান - ইসলামী আচরণ Bangla Pdf

অধ্যাপক মুজিবুর রহমান - ইসলামী আচরণ Bangla Pdf

ইসলামী আচরণ - অধ্যাপক মুজিবুর রহমান pdf free download
book cover islami achoron
ইসলামী আচরণ অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
প্রকাশনীঃ আহসান পাবলিকেশন
বইয়ের সাইজঃ ১-এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৮৪
বইয়ের ফরম্যাট পিডিএফ ই-বুক
বিভাগঃ ইসলামী আদর্শ
কৃতজ্ঞতায়ঃ বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

আজ থেকে চৌদ্দশত বছর আগে প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আল্লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছিলেন, আমি তোমাদের মাঝে দু'টি জিনিস রেখে গেলাম, যতদিন পর্যন্ত তোমরা এ দু'টি জিনিষের হুকুম মত চলবে ততদিন তোমরা পথভ্রষ্ট হবে না। আর তা হল আল্লাহর কিতাব আল কুরআন ও আমার সুন্নাত- আল হাদীস।"

সমাজ জীবনে আমাদের আচরণ কেমন হওয়া উচিত নিচের হাদীসটি তা স্পষ্টভাবে বলে দেয়-
হযরত আবু হুরায়রা (রা:) হতে বর্ণিত তিনি বলেন, এক ব্যক্তি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! অমুক মহিলা বেশী নামায পড়ে, রোজা রাখে এবং দান খয়রাত করার ব্যাপারে খ্যাতি লাভ করেছে। কিন্তু সে তার প্রতিবেশীকে নিজের মুখের দ্বারা কষ্ট দেয়। তিনি বললেন, সে জাহান্নামী। লোকটি বলল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! অমুক (অপর এক) মহিলা, যে কম করে রোজা রাখে, দান করে এবং নামায পড়ে বলে জনশ্রুতি আছে। তার দানের পরিমাণ হলো পনীরের টুকরা বিশেষ, কিন্তু সে নিজের মুখের দ্বারা তার প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না। তিনি বললেন: সে জান্নাতী। (আহমদ ও বায়হাকী)

আমরা আমাদের প্রিয় নবী (স:)-এর কথা ভুলে গেছি বলে পথ হারা হয়েছি। ফলে কোথায় কোন আইন মেনে চলতে হবে, কোথায় কেমন আচরণ করতে হবে, কোথায় কি কথা বলতে হবে-ইত্যাদি ব্যাপারে আমরা সঠিক ভূমিকা পালন করতে পারছি না। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ অন্ধকারে।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধর্মনিরপেক্ষতা ও জড়বাদের অন্ধকারে অন্ধকারাচ্ছন্ন। ইসলামের প্রজ্জ্বলিত আলো এর মধ্যে প্রবেশ করার সুযোগ পাচ্ছে না। ফলে দিন দিন আমাদের সোনার ছেলেমেয়েরা জাহেলিয়াতের হিংস্র কালো থাবায় ক্ষতবিক্ষত হচ্ছে। অন্ধকারে পথ হাতড়াতে গিয়ে কখনও আহত কখনও রক্তাক্ত হচ্ছে তাদের হাতগুলো। অন্য দিকে প্রচার জগতের ইলেকট্রনিক মিডিয়া কচি ও নিষ্পাপ অন্তরগুলোকে জাহেলিয়াতের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জ্বালিয়ে পুডি ছারখার করে দিচ্ছে। জীবনকে করে তুলছে অভিশপ্ত।

মাতাপিতার প্রতি সন্তানের আচরণ

আল্লাহ তায়ালা কুরআন মাজিদে স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছেন-
وَقَضَى رَبُّكَ الأَتَعْبُدُوا إِلَّا إِيَّاهُ وَبِالْوَالِدَيْنِ إِحْسَانًا إِمَّا يَبْلُغَنَّ عِنْدَكَ الْكِبَرَ أَحَدُهُمَا أَوْ كِلَاهُمَا فَلَا تَقُلْ لَّهُمَا أُفٍّ وَلَا تَنْهَرْهُمَا وَقُلْ لَّهُمَا قَوْلاً كَرِيمًا - بني اسرائيل : (۲۳)
"তোমার রব ফয়সালা করেছেন যে তোমরা কারো ইবাদত (গোলামী) করবে না কেবল তাঁরই ইবাদত করবে এবং পিতামাতার সাথে ভাল ব্যবহার করবে। তোমাদের নিকট যদি তাদের কোন একজন অথবা উভয়ই বৃদ্ধাবস্থায় পৌঁছে তবে তাদেরকে 'উহ' পর্যন্ত বলবে না, তাদেরকে ভর্ৎসনা করবে না এবং তাদের সাথে মর্যাদা সহকারে কথা বলবে।" (বানী ইসরাইল- ২৩)

আরও বই ডাউনলোড করুন
দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদী - মহিলা সমাবেশে প্রশ্নের জবাবে - সকল খন্ড পিডিএফ ডাউনলোড
আপনাদের প্রশ্নের জবাব ১-৩ খন্ড পিডিএফ বই ডাউনলোড ডাউনলোড
শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ ১-৭ খন্ড পিডিএফ ডাউনলোড ডাউনলোড

এখানে আল্লাহ তায়ালা মাতাপিতার প্রতি আদব ও সদ্ব্যবহার করাকে নিজের এবাদতের সাথে একত্রিত করে ফরজ করে দিয়েছেন। আবার সূরা লোকমানে আল্লাহর শোকর আদায় এর সাথে পিতামাতার হক আদায় করাকে একত্রিত করে অপরিহার্য করে দিয়েছেন। বুখারী শরীফে নামাজকে সময়মত পড়ার পরই পিতামাতার সাথে সদ্ব্যবহারকে আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় কাজ বলে বর্ণনা করা হয়েছে। রাসূল (সঃ) বলেছেন পিতামাতার সন্তুষ্টিতে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পিতামাতার অসন্তুষ্টিতে আল্লাহর অসন্তুষ্টি। ইবনে মাজার হাদীসে বলা হয়েছে- তোমার পিতামাতা তোমার জান্নাত অথবা জাহান্নাম। বায়হাকীর এক হাদীসে বলা হয়েছে পিতামাতা সন্তানের প্রতি যদি জুলুমও করে তবু পিতামাতার প্রতি অবাধ্যতার কারণে সন্তান জাহান্নামে যাবে। এর অর্থ হল পিতামাতার কাছ থেকে প্রতিশোধ গ্রহণের অধিকার সন্তানের নেই। তারা জুলুম করলেও সন্তান সেবাযত্ন ও আনুগত্যের হাত গুটিয়ে নিতে পারে না।

স্ত্রীর সাথ স্বামীর আচার-ব্যবহার

সূরা রা'দ এর ২২ ও ২৩ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন-
وَالَّذِينَ صَبَرُوا ابْتِغَاءَ وَجْهِ رَبِّهِمْ وَأَقَامُوا الصَّلوةَ وَأَنْفَقُوا مِمَّا رَزَقْنَاهُمْ سِرًّا وَعَلَانِيَةً وَيَدْرَءُونَ بِالْحَسَنَةِ السَّيِّئَةَ أُولَئِكَ لَهُمْ عُقْبَى الدَّارِ - جَنَّتُ عَدْنٍ يَدْخُلُونَهَا وَمَنْ صَلَحَ مِنْ آبَائِهِمْ وَأَزْوَاجِهِمْ وَذُرِّيَّاتِهِمْ وَالْمَلَائِكَةُ يَدْخُلُونَ عَلَيْهِمْ مِنْ كُلِّ بَابٍ - (الرعد : ۲۲-۲۳)
"যারা তাদের রবের সন্তুষ্টির জন্য সবর করে, নামাজ কায়েম করে, আর আমি যা দিয়েছি তা থেকে তারা গোপনে ও প্রকাশ্যে ব্যয় করে এবং খারাপের মোকাবিলা ভাল দিয়ে করে তাদের জন্য রয়েছে পরকালের বাড়ী। তা হচ্ছে বসবাস করার বাগান, তাতে তারা প্রবেশ করবে এবং তাদের সৎকর্মশীল বাপ-দাদা, স্বামী-স্ত্রী ও সন্তানেরা প্রবেশ করবে আর ফেরেশতারা প্রত্যেক দরজা দিয়ে সালাম করতে আসবে।"

দৌড়াও আল্লাহর দিকে - অধ্যাপক মুজিবুর রহমান bangla Islami Book

দৌড়াও আল্লাহর দিকে - অধ্যাপক মুজিবুর রহমান bangla Islami Book

দৌড়াও আল্লাহর দিকে - অধ্যাপক মুজিবুর রহমান bangla PDF download
doraw allahor dike PDF book
দৌড়াও আল্লাহর দিকে অধ্যাপক মুজিবুর রহমান
প্রকাশনীঃ আহসান পাবলিকেশন
বইয়ের সাইজঃ ১-এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ৫৩
বইয়ের ফরম্যাট পিডিএফ ই-বুক
বিভাগঃ ইসলাম শিক্ষা
কৃতজ্ঞতায়ঃ বাগী কুঞ্জালয় পাঠাগার

মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত বা সৃষ্টির সেরা জীব। সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের অনেক দায়িত্ব কর্তব্য রয়েছে। আল্লাহ রাব্বুল আলামীন মানুষকে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে সৃষ্টি করে শুধু এমনি ছেড়ে দেননি। সাথে সাথে তাদের জীবন পরিচালনার জন্য বিধান হিসাবে মহাগ্রন্থ আলকুরআন নাযিল করেছেন। কোন পথে চললে কল্যাণ হবে, আর কোন পথে চললে অকল্যাণ হবে সবই সন্নিবেশিত করে রেখেছেন মহাগ্রন্থ আল কুরআনে। কিন্তু আমরা মানুষ, মানবিক দুর্বলতা আমাদের মধ্যে রয়েছে। আর এ দুর্বলতার কারণে আমরা ঐ কুরআনের বাণী ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রদর্শিত সেই পথকে ভুলে গিয়ে পার্থিব সুখ-শান্তির নেশায় হন্যে হয়ে ঘুরে বেড়াই। কিন্তু এটা প্রকৃত বুদ্ধিমানের কাজ নয়।

কেননা পরকালীন জীবনের তুলনায় পার্থিব জীবন মাত্র কয়েক সেকেন্ড, আর সেই কয়েক সেকেন্ড আরাম আয়েশের জন্যে আমরা মরিয়া হয়ে লেগে যাই। হারাম-হালালের বাছ বিচার করিনা। আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) এর নির্দেশিত দায়-দায়িত্বের কথা ভুলে যাই। সেই সমস্ত দায় দায়িত্বের অনুভূতি জাগ্রত করা এবং অচেতন লোকদের সচেতন ও সচেতন লোকদের আরো গতিশীল করার লক্ষ্যে প্রখ্যাত লেখক অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বইটিতে কুরআন-হাদীস এবং বিভিন্ন যুক্তির উদ্ধৃতি দিয়ে পাঠক-পাঠিকার কাছে তুলে ধরেছেন।

ধন সম্পদ হবে বিপদ

মানুষ খুবই ব্যস্ত। কিন্তু তার এই ব্যস্ততার কারণ কি? কি জন্য ব্যস্ত হয়ে ছুটাছুটি করছে? সম্ভবতঃ তিনটি কারণে হতে পারে-
প্রথমত: সম্পদের লোভে, দ্বিতীয়ত: নাম যশের লোভে এবং তৃতীয়তঃ আরাম আয়েশ কিংবা নারী ভোগের লোভে। কিন্তু ধন সম্পদ কতদিন তার কাজে লাগবে? দুনিয়ার জীবনে কিছুদিন কাজে লাগলেও আখেরাতে এ সম্পদ কাজে লাগবে না। বরং সম্পদের হিসাব দিতে হবে শেষ পর্যন্ত আটক হয়ে যাবে। কিয়ামতের দিন পাঁচটি প্রশ্নের জবাব দেয়া পর্যন্ত মাটি তার পাঁ কামড়ে থাকবে- সে চলতে পারবে না- পাঁচটি প্রশ্নের মধ্যে দুটি প্রশ্ন হল-
১. মাল বা সম্পদ কিভাবে উপার্জন করেছো? এবং ২. সেই মাল বা সম্পদ কিভাবে ব্যয় করেছো?
এখানে সম্পদকে আপদ বা বিপদ মনে হবে।
কঠিন পাঁচটি প্রশ্নের মধ্যে ধন সম্পদ সংক্রান্ত দুইটি। মাল আয় ও ব্যয় সংক্রান্ত অল্প প্রস্তুতি নিলে হবে না জোর প্রস্তুতি গ্রহণ করতে হবে।

আরও বই ডাউনলোড করুন
আজাদী আন্দোলনে আলেম সমাজের সংগ্রামী ভুমিকা - পিডিএফ ডাউনলোড ডাউনলোড
তারীখে ইসলাম -মুহাম্মাদ আমীমুল ইহসান bangla pdf book ডাউনলোড
ধারাবাহিক পূর্ণাঙ্গ নামাজ শিক্ষা (প্রয়োজনীয় মাসাইল সহ) pdf islamic book ডাউনলোড

ধ্বংসপ্রাপ্ত চৌদ্দ জাতি

ধ্বংসপ্রাপ্ত ১৪টি জাতির কথা কুরআন মাজিদে উল্লেখ আছে- যারা আল্লাহর পাঠানো নবীদের হেদায়াতে কর্ণপাত করেনি। যারা তাদের নবীকে মিথ্যা মনে করেছে, উপহাস করেছে, নির্যাতন করেছে, কারাবন্দী করেছে, আঘাত দিয়ে রক্তাক্ত করেছে। এমনকি হত্যা পর্যন্ত করতে ইতস্তুতঃ করেনি। এমন ধ্বংসপ্রাপ্ত কওম থেকে শিক্ষা নিয়ে আল্লাহর পথে দ্রুত অগ্রসর হতে হবে। ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতিগুলো হচ্ছে:
১) আদ জাতি ২) সামুদ জাতি ৩) লুত জাতি ৪) নুহ জাতি ৫) সাবা জাতি ৬) তুব্বা জাতি ৭) বনি ইসরাইল জাতি ৮) আসহাবে কাহাফ জাতি ৯) আসহাবুস সাবত জাতি ১০) আসহাবুল কারিয়া জাতি ১১) আসহাবুল আইকা জাতি ১২) আসহাবুল উখদুদ জাতি ১৩) আসহাবুল রাস জাতি ১৪) আসহাবুল ফিল জাতি। দৌড়াও আল্লাহর দিকে

ওরা মেঘ দেখে ভীত হয়নি

অতীতে বহু জাতি আল্লাহর নাফরমানী করে আল্লাহর আযাবের উপযুক্ত হয়েছিল। তাদেরকে প্রচুর পরিমাণ ধন সম্পদ দেয়া হয়েছিল। সন্তান সন্তুতিসহ শক্তিশালী জাতিতে পরিণত করা হয়েছিল। তারা আল্লাহর এসব নিয়ামত ভোগ করে শুকরিয়া আদায় করেনি। আল্লাহর বিধান মেনে চলেনি। নবীদের সতর্কবাণীর পরোয়া করেনি। বরং বলেছে তুমি কি আযাবের কথা বলছ সেইসব আযাব নিয়ে আস। অহংকারে তারা ধরাকে সরা জ্ঞান করে। ফলে-

  • ক) কাউকে আসমান থেকে পাথর বর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে।
  • খ) কাউকে ভয়ানক ও প্রচন্ড শব্দ দিয়ে খতম করা হয়েছে।
  • গ) কাউকে মাটিতে পুতে ধ্বংস করা হয়েছে।
  • ঘ) কাউকে পানিতে ডুবিয়ে মারা হয়েছে।
  • অতীতের জাতিগুলো আকাশে মেঘ উঠেছে মনে করে